মার্কসীয় বুক ষ্টলে শিশির অধীকারী ( দেখার শেষ নেই অবাক হতে নেই)

।।দেখার শেষ নেই, অবাক হতে নেই।। সময়টা ২০০৪-০৫ হবে। এরকমই এক দুর্গাপূজা। অষ্টমী নবমী কোনো একদিন। সন্ধ্যার সময় কাঁথি থানায় এক প্রশাসনিক বৈঠক। তাতে জনপ্রতিনিধিরাও রয়েছেন।সম্ভবত বিজয়া সম্মিলনী বিষয়ক। সেই বৈঠক শেষে বেরিয়ে এলেন তৎকালীন দক্ষিণ কাঁথির বিধায়ক ও পুরপিতা, বহু অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ শিশির অধিকারী। থানার মাঠ দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে তিনি চলেছেন তাঁর অফিসে ।…

শাসক ও আন্দোলনকারী যুগে যুগে একই

।।শাসক ও আন্দোলনকারী যুগে যুগে একই।। তাঁরা দুজনেই চিকিৎসক। দুজনেই ছাত্র জীবনে অনশন করেছেন। তাঁরা বাবা ও মেয়ে। তাঁদের বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকে। গতকাল আনন্দবাজার পত্রিকার তাঁদের নিয়ে একটি সুন্দর প্রতিবেদন লিখেছিলেন বন্ধু সাংবাদিক আনন্দ মন্ডল। সেই সূত্রে বাবার সঙ্গে আমার কথা বলা। আর তা নিয়ে তীরভূমি পত্রিকায় আর একটি প্রতিবেদন।

।। হারানো রসকলিকে জীবন্ত করলো “হারায়ে খুঁজি”।।

।হারানো রসকলিকে জীবন্ত করলো ‘হারায়ে খুঁজি ‘ একশত ছুঁই ছুঁই আগে লেখা একটি গল্প রসকলি। ফাল্গুন ১৩৩৪ সালে লিখেছিলেন তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। তার নাট্যরূপ মঞ্চস্থ হলো তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়েরই লাভপুরের মাটিতে। হ্যাঁ ,আক্ষরিক অর্থে এক খোলা মাঠে। দর্শক ও অভিনেতারা সবাই একই সরলরেখায়। মাটিতে। নেই কোনো মঞ্চ। পড়ছে না কোনো ড্রপ সিন। আলো আঁধারিতে কোথা থেকে মাঝে…

জীবন্ত কিংবদন্তি লাভপুরের সুকুমার চন্দ্র

৯৮ বছর বয়সে চিকিৎসা পরিষেবা দিচ্ছেনসবার পরম আত্মীয় ।।জীবন্ত কিংবদন্তী লাভপুরের সুকুমার চন্দ্র।। সময়টা ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসের প্রথম কি দ্বিতীয় রবিবার। অফিসের কাজে সেই সময় সাঁইথিয়াতে। রবিবার বাড়ি না ফিরতে পেরে সাঁইথিয়া থেকে লাভপুর গিয়ে দেখতে পেয়েছিলাম এক ধন্যন্তরী চিকিৎসক সুকুমার চন্দ্রকে। তখন তাঁর বয়স ৯১ বছর। তিনি হলেন প্রখ্যাত সাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়ের চিকিৎসক।…

।। বেজাত থেকে জাতে ওঠার কাহিনী।।

।।বেজাত থেকে জাতে ওঠার কাহিনী ।। ” নাটক দেখতে সেই সময় মানুষের বেশ ভিড় হতো। তন্ময় হয়ে নাটকের চরিত্রগুলির সঙ্গে তারা মিশেও যেতেন। কিন্তু নাটক দেখে বেরিয়ে যাওয়ার পর নটনটীদের অস্পৃশ্য মনে করতেন। অর্থাৎ সেই কুশীলবরা সবাই বেজাত। কারণ মেয়েরা যারা অভিনয় করতেন তাদের পিতৃ পরিচয় নেই। তারা এক একজন বারাঙ্গনা।অন্যদিকে পুরুষ নটরাও এই ছাপ…

।। ঠাকুরমার ঝুলি থেকে পাগলা দাশু।।

কাঁথি বইমেলা উদ্বোধনে এসে সাহিত্যিক Tapan Bandyopadhyay কথা প্রসঙ্গে জানিয়েছিলেন ছোটদের বইয়ের প্রতি আকৃষ্ট করার বড় উপায় হলো আমাদের বহু পঠিত ঠাকুমার ঝুলি , ভূতের গল্প তাদের সামনে তুলে ধরা। পারলে সুকুমার রায় উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরী বই পত্তর ও তাদের সামনে রাখা। এতে তাদের মননে একটা আলাদা ছাপ পড়বেই পড়বে। একটা অন্য অনুভূতি তৈরি হবে।…

দাও ফিরিয়ে সেই পঁচিশে বৈশাখ

সান্ধ্য আজকালে প্রকাশিত      “দাও ফিরিয়ে সেই ২৫শে বৈশাখ”গ্রামের কোনো বনেদি বাড়ির বড়ো বারান্দা। তাতে একটা বা দুটো চৌকি ফেলে স্টেজ। না হলে তিন চারটা চৌকি পাড়ার বিভিন্ন বাড়ি থেকে সংগ্রহ করে হাতে হাতে ধরি ধরি করে পাড়ার খেলার মাঠে এক পাশ জুড়ে ফেলা। তাতেই স্টেজ। এরপর যে যার বাড়ি থেকে এক রঙের শাড়ি এবং…