রাখালদাস বন্দোপাধ্যায়
।।রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুত্র
অদ্রীশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের বই প্রকাশ।।
উদ্বোধক – রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের পৌত্র
দেবাশীষ বন্দ্যোপাধ্যায়
আজকের আনন্দবাজারে কড়চা বিভাগে ‘বিস্মৃতপ্রায় ‘ শীর্ষক একটি লেখা রয়েছে। রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুযোগ্য পুত্র অদ্রীশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের কিছু বাংলা রচনা নিয়ে ‘প্রত্নতত্ত্ব ও শিল্প – ঐতিহ্য ‘ নামক একটি প্রবন্ধ সংগ্রহ উদ্বোধনের কথা রয়েছে এই বিস্মৃতপ্রায় শীর্ষক লেখায়।
ঘটনাচক্রে কলকাতার মেটকাফ হলে গত ২৮ আগস্ট এই অনুষ্ঠানটি দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল। উপস্থিত ছিলেন অদ্রীশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুযোগ্য পুত্র দেবাশীষ বন্দ্যোপাধ্যায়। দেবাশীষদার সূত্রে খবর পেয়ে ওখানে পৌঁছানো। অদ্রীশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্কে সত্যিই বিশেষ কেউ কিছু জানেন না। কিন্তু রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায় যে পথে বহু কাজ করেছিলেন এবং লেখালিখি করেছিলেন ঠিক সেই একই পথে অদ্রীশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের যাত্রা। পেশা গত ভাবে তিনিও যুক্ত ছিলেন আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার সঙ্গে। কাজ করেছেন সারনাথ, নালন্দা, দিল্লির ন্যাশনাল মিউজিয়াম সহ আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার পাটনা, দিল্লির সফদরজঙ্গ মনুমেন্টের পুরাকীর্তি অফিসেও। সব শেষে সংস্থার কলকাতার পূর্ব চক্রে কাজ করে অবসর গ্রহণ করেছেন। যে দায়িত্বে পিতা রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ও সম্মানের সঙ্গে কাজ করেছিলেন।
অদ্রীশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের দু শোর বেশি প্রবন্ধ নিবন্ধ এদিক ওদিক ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকায় তার থেকে কিছু এই সংকলনে স্থান পেলেও সেদিনই প্রকাশক দেবাশীষদাকে বলছিলেন তারা বাকিগুলো সংগ্রহ করে প্রকাশের উদ্যোগ নিচ্ছেন। রইলো সেদিনের কিছু ছবির সঙ্গে ওই বইতে পিতা অদ্রীশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে দেবাশীষদার কিছু কথা।
এই প্রসঙ্গে দেবাশীষদার কথা বলতেই হয়। দেবাশীষদা পেশাগত ভাবে ছিলেন হারিয়ে যাওয়া রাষ্ট্রায়ত্ত ইউনাইটেড ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার এক গুরুত্বপুর্ণ আধিকারিক। ওই ব্যাংকের বড় অফিসার সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ,সভাপতি হিসাবে আধিকারিকদের অধিকার ও দায়িত্ব নিয়ে অনেক কাজ করেছেন। সেই সঙ্গে ওই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের পরিচালন সমিতির সদস্য হিসাবে ব্যাংকের বহু গুরুত্বপুর্ণ নতুন নতুন কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আজও তিনি সমাজের খেটে খাওয়া মানুষের সঙ্গে কথা বলতে এবং যোগাযোগ রাখতে সমান ভাবে আগ্রহী।
ভালো থাকবেন Debasish Banerjiদা

